সম্পূর্ণ মেধা, যোগ্যতা ও শতভাগ স্বচ্ছতার ভিত্তিতে রাজশাহী জেলায় বাংলাদেশ পুলিশের ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগ ফেব্রুয়ারি-২০২৬ এর চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।
রবিবার (২৪ মে) রাজশাহী জেলার নিয়োগযোগ্য শূন্য পদের বিপরীতে বিদ্যমান সব কোটা অনুসরণ করে চূড়ান্তভাবে ৪৯ জন প্রার্থীকে নির্বাচিত করা হয়।
রাজশাহী জেলা পুলিশের উদ্যোগে পুলিশ লাইন্স ড্রিলশেডে আয়োজিত অনুষ্ঠানে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেন রাজশাহীর পুলিশ সুপার ও নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান। শারীরিক সক্ষমতা, লিখিত, মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত ন¤^রের ভিত্তিতে মেধাক্রম অনুযায়ী উত্তীর্ণদের নাম ঘোষণা করা হয়।
ফলাফল ঘোষণার পর নবীন পুলিশ সদস্যদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়। এ সময় পুলিশ সুপার বলেন, আমরা শুধু কনস্টেবল নিয়োগ দেইনি, বরং মেধা ও সততার ভিত্তিতে একঝাঁক দেশপ্রেমিক তরুণকে বেছে নিয়েছি, যারা ভবিষ্যতে জনগণের প্রকৃত সেবক হিসেবে কাজ করবে।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কোনো ধরনের সুপারিশ বা আর্থিক লেনদেন ছাড়াই শুধুমাত্র মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে এই নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে। চাকরি পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন নিয়োগপ্রাপ্ত প্রার্থী ও তাদের অভিভাবকরা।
উত্তীর্ণদের মধ্যে রিকশাচালক, শ্রমিক, দিনমজুর, কৃষক, কাঠমিস্ত্রি ও ফেরিওয়ালাদের সন্তানরাও রয়েছেন। নিয়োগপ্রাপ্তরা জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ প্রক্রিয়ায় নিয়োগ পাওয়ায় সাধারণ পরিবারের সন্তানদের মধ্যেও নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।
অনুষ্ঠানে নিয়োগ বোর্ডের সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শোভন চন্দ্র হোড়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বড়াইগ্রাম সার্কেল), নাটোর এবং মোঃ ইয়াসির আরাফাত, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
রবিবার (২৪ মে) রাজশাহী জেলার নিয়োগযোগ্য শূন্য পদের বিপরীতে বিদ্যমান সব কোটা অনুসরণ করে চূড়ান্তভাবে ৪৯ জন প্রার্থীকে নির্বাচিত করা হয়।
রাজশাহী জেলা পুলিশের উদ্যোগে পুলিশ লাইন্স ড্রিলশেডে আয়োজিত অনুষ্ঠানে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেন রাজশাহীর পুলিশ সুপার ও নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান। শারীরিক সক্ষমতা, লিখিত, মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত ন¤^রের ভিত্তিতে মেধাক্রম অনুযায়ী উত্তীর্ণদের নাম ঘোষণা করা হয়।
ফলাফল ঘোষণার পর নবীন পুলিশ সদস্যদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়। এ সময় পুলিশ সুপার বলেন, আমরা শুধু কনস্টেবল নিয়োগ দেইনি, বরং মেধা ও সততার ভিত্তিতে একঝাঁক দেশপ্রেমিক তরুণকে বেছে নিয়েছি, যারা ভবিষ্যতে জনগণের প্রকৃত সেবক হিসেবে কাজ করবে।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কোনো ধরনের সুপারিশ বা আর্থিক লেনদেন ছাড়াই শুধুমাত্র মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে এই নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে। চাকরি পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন নিয়োগপ্রাপ্ত প্রার্থী ও তাদের অভিভাবকরা।
উত্তীর্ণদের মধ্যে রিকশাচালক, শ্রমিক, দিনমজুর, কৃষক, কাঠমিস্ত্রি ও ফেরিওয়ালাদের সন্তানরাও রয়েছেন। নিয়োগপ্রাপ্তরা জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ প্রক্রিয়ায় নিয়োগ পাওয়ায় সাধারণ পরিবারের সন্তানদের মধ্যেও নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।
অনুষ্ঠানে নিয়োগ বোর্ডের সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শোভন চন্দ্র হোড়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বড়াইগ্রাম সার্কেল), নাটোর এবং মোঃ ইয়াসির আরাফাত, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :